মামলা পরিচালনা ছাড়া একজন আইনজীবীর বৈধ আয় করার উপায়।
১. আইনি পরামর্শ (Legal Consultancy)
ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, বা এনজিওকে আইনগত পরামর্শ দিয়ে ফি গ্রহণ করা যায়।
কর্পোরেট সেক্টরে লিগ্যাল অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করা যায়।
২. ডকুমেন্টস প্রস্তুত ও নথিভুক্তকরণ (Drafting & Documentation)
অ্যাফিডেভিট, এগ্রিমেন্ট, উইল, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, ল্যান্ড ডিড ইত্যাদি তৈরি করে আয় করা যায়।
৩. নোটারি পাবলিক হিসেবে কাজ
নথিপত্রের সত্যতা যাচাই ও নোটারি সিল দিয়ে ফি নেওয়া যায় (সরকার অনুমোদিত হলে)।
৪. ট্রেড লাইসেন্স, কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য রেজিস্ট্রেশন সেবা
কোম্পানি, ট্রাস্ট, সোসাইটি ইত্যাদির রেজিস্ট্রেশনের কাজ করে আয় করা সম্ভব।
৫. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (Teaching & Training)
আইন বিষয়ক কোচিং, সেমিনার, ওয়ার্কশপ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করা যায়।
৬. ফ্রিল্যান্স লিগ্যাল সার্ভিস
অনলাইনে লিগ্যাল রিসার্চ, কনটেন্ট রাইটিং বা চুক্তিপত্র প্রস্তুতের কাজ করা যায়।
৭. বই বা ব্লগ লেখা
আইনি বিষয়ক বই, ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে আয় করা যায় (গুগল অ্যাডসেন্স, স্পন্সর ইত্যাদির মাধ্যমে)।
৮. আর্বিট্রেশন ও মিডিয়েশন (Arbitration & Mediation)
বিরোধ নিষ্পত্তির বিকল্প পদ্ধতিতে মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারী হিসেবে ফি নেওয়া যায়।
৯. আইনি NGO বা সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ
বিভিন্ন NGO ও হিউম্যান রাইটস সংস্থার সঙ্গে আইনগত পরামর্শদাতা হিসেবে যুক্ত হয়ে আয় করা যায়।।
The content copyright owner © Busness E Shaba